ভূমি সংক্রান্ত তথ্য
- হোম
- ব্লগ
বাংলাদেশে দণ্ড হওয়ার পর আপিলের নিয়ম অনেকের জানা থাকে না, বিশেষত যদি আসামি পলাতক অবস্থায় থাকেন। ফৌজদারি মামলার রায় ঘোষণার পরে কীভাবে আপিল করতে হয়, কোথায় আত্মসমর্পণ করতে হয়, এবং কোন আদালতে কীভাবে জামিন বা স্টে চাইতে হয়—এসব বিষয় জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ গাইডে দণ্ড হওয়ার পর আপিলের নিয়ম এবং পলাতক আসামির আইনগত করণীয় ধাপে ধাপে ব্যাখ্যা করা হয়েছে।
নামজারি বাতিল হলে কী করবেন? জানুন নামজারি বাতিলের কারণ, আপিল করার নিয়ম, এবং আইনি করণীয় পদক্ষেপ সম্পর্কে বিস্তারিত। ভূমি মালিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গাইড।
জমির দলিলে নাম ভুল হলে কী করবেন? এই পোস্টে জানুন নাম সংশোধনের নিয়ম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, খরচ ও প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য, যাতে ভবিষ্যতে আইনি জটিলতা এড়ানো যায়।
বাংলাদেশে প্রায়ই দেখা যায় — ব্যক্তিগত বিরোধ, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্ব বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে অনেক নিরপরাধ মানুষ অযথা হয়রানির শিকার হন। কিন্তু আতঙ্কিত না হয়ে যদি সঠিক আইনি ও কৌশলগত পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তাহলে মিথ্যা মামলার প্রভাব থেকে নিজেকে রক্ষা করা সম্ভব।
বাংলাদেশে জমি কেনা-বেচা, উত্তরাধিকার বা দান সংক্রান্ত যেকোনো লেনদেনের পর নামজারি একটি বাধ্যতামূলক ধাপ। নামজারি ছাড়া জমির মালিকানা আইনগতভাবে প্রমাণ করা যায় না। এই পোস্টে আমরা জানব — নামজারি প্রক্রিয়া ও খরচ, নামজারি কী, কেন প্রয়োজন, কীভাবে আবেদন করতে হয়
পারিবারিক নিরূপণপত্র দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে হলে নির্দিষ্ট কিছু খরচ এবং ফি পরিশোধ করতে হয়। এখানে দলিল রেজিস্ট্রেশনের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো।
বাংলাদেশে এখন আর জমির ম্যাপ খুঁজতে অফিসে দৌড়াতে হয় না। ভূমি মন্ত্রণালয়ের ই-পর্চা (e-Porcha) ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব সহজেই অনলাইনে মৌজা ম্যাপ অনুসন্ধান করা যায়। আপনার এলাকার নির্দিষ্ট মৌজা ম্যাপ খুঁজে পেলে নির্ধারিত ফি পরিশোধ করে অনলাইনে ডাউনলোড করা সম্ভব।
আপনি কি জানতে চান আপনার জমি বা কেনার আগ্রহ থাকা জমিটির বৈধ মালিকানা কার নামে? বর্তমানে অনলাইনে খুব সহজেই নাম দিয়ে জমির মালিকানা যাচাই করা যায়। এই পদ্ধতিতে আপনি জমির দাগ নম্বর, খতিয়ান নম্বর, মালিকের নাম, জমির পরিমাণ ও অবস্থান সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন।
খাস জমি বলতে সরকারি মালিকানাধীন জমিকে বোঝায়, যা সরকারের নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থাপনা ও ব্যবহার করা হয়। ১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন অ্যান্ড টেনান্সি অ্যাক্টের ৭৬ ধারায় এই জমি সম্পর্কে বিস্তারিত উল্লেখ রয়েছে। ভূমিহীন এবং প্রয়োজনীয় জনগণের জন্য এই জমি বরাদ্দ নীতিমালা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লেখায় আমরা খাস জমির অধিকার, লঙ্ঘন এবং প্রতিকার নিয়ে আলোচনা করবো।